জি এম ও (GMO) নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে

জেনেটিক্যালি মডিফাইড অরগানিজম (Genetically Modified Organism) সংক্ষেপে যাকে বলে জি এম ও । ক্রমেই বেড়ে চলা জনসংখ্যার খাদ্য যোগান দেওয়া কিংবা পোকামাকড় ও প্রাকৃতিক ক্ষতির হাত থেকে ফসল রক্ষা করার অন্যতম উপায় হল জিএমও ।  উদ্ভিদের জেনেটিক কোড পরিবর্তন করে প্রতিকূল পরিবেশ সহ্য করার ক্ষমতা তৈরি করা হয় এ প্রক্রিয়ায়। এটা করতে আমরা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের সাহায্য নিই।  ব্যাকটেরিয়া প্লাসমিডকে ব্যবহার করি বাহক হিসেবে, ভাইরাসের ডিএনএ (প্রমোটার) ব্যবহার করি আমাদের জিনের  বহিঃপ্রকাশের জন্য । উদ্ভিদের মধ্যে পরিবর্তিত জেনেটিক কোড পাঠানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় ব্যাকটেরিয়া (এগরোব্যাকটেরিয়াম) এসব কারণে অনেকের মতে, জিএমও খাবারের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের ডিএনএ আমাদের শরীরে অনুপ্রবেশ করতে পারে। যদিও আজ পর্যন্ত এ চিন্তা স্বপক্ষে কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। অন্যদিকে যারা সমর্থন করেন, তাদের যুক্তির পক্ষে রয়েছে বৈজ্ঞানিক সমর্থন। আমরা যা খাই, তা হজম প্রক্রিয়ায় চলে যায়। উপরন্তু, বর্ধিত জনসংখ্যার জন্য খাদ্যের চাহিদা মেটানোর কথা বলে চিন্তা করলে জিএমও হলো আমাদের একমাত্র অস্ত্র

We will be happy to hear your thoughts

Leave a reply

Register New Account
Nick Name (required)
Reset Password